একজন ব্রাহ্মণকে চৈত্র মাসের মহাবিশুভ সংক্রান্তির দিন একটি পৈতা একটি সুপারি ও কিছু দক্ষিণা দিয়ে প্রণাম করতে হবে সারা বৈশাখ মাস ধরে।
প্রতিদিন একজন করে ব্রাহ্মণকে বৈশাখ মাসের সংক্রান্তি পর্যন্ত এমনি ভাবে দিতে হবে। দ্বিতীয় বছরে সুপারি না দিয়ে তার বদলে কলা পৈতা মিষ্টি কিছু পয়সা দিয়ে ব্রাহ্মণকে প্রতিদিন সারা মাস ধরে প্রণাম করা কর্তব্য । তারপরের বছর তৃতীয় বছর কলার বদলে আম ও তার সঙ্গে পৈতে মিষ্টান্ন ও দক্ষিণা ব্রাহ্মণকে প্রণাম করে আসবে। তিনটি বছর কেটে যাওয়ার পর অর্থাৎ চতুর্থ বছরে আমের বদলে ডাব পৈতা পয়সা দিয়ে প্রণাম করার দরকার। সব শেষে মহা বিষুব সংক্রান্তিতে চারজন ব্রাহ্মণকে কাপড় ও চাদর দিতে হয়। তবে সামর্থ্য না থাকলে যাকে দিয়ে ব্রত নেওয়া হয়েছে তাকে ধুতি চাদর গামছা পাদুকা ছাতা পাংখা দেওয়ার রীতি। উদযাপনের সময় রুপার ডাব সোনার সুপারি সোনার কলা স্বর্ণকারের কাছ থেকে বানিয়ে দান করে ব্রত উদযাপন করতে হয়। যাকে দিয়ে ব্রত নেওয়া হয়েছে তিনি যদি উদযাপনের সময় কোন কারণবশত না থাকে তাহলে তার বংশের যে কোন ব্রাহ্মণকে খুব তৃপ্তি করে ভোজন করিয়ে এই জিনিস গুলি দান করিবেন
কখন এই ব্রত করিবেন--
চৈত্র মাসে মহা বিষুবসংক্রান্তিতে এই ব্রত নেওয়ার নিয়ম